Sundarban Liqiuid Gold Honey
সুন্দরবন লিকুইড গোল্ড হানি
সুন্দরবনের প্রাকৃতিক চাক থেকে প্রাপ্ত খলিশা ফুলের নেকটার সমৃদ্ধ মধুকে আমরা “সুন্দরবন লিকুইড গোল্ড হানি” নামকরণ করেছি। রূপক বা আলংকারিক অর্থে এটাকে গোল্ড হানি বলা হয়েছে যেমন, চিংড়িকে White gold, পদ্মার ইলিশকে রূপালী ইলিশ বলা হয়ে থাকে। প্রতি বছর মে মাস থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সময়ে এই মধু সংগ্রহ করা হয়। সুন্দরবনের খলিশা গাছের ফুলের মধু সব থেকে বেশি আকর্ষণীয় ও জনপ্রিয়। দামও বেশি এই মধুর। এই মধুতে ৮৫-৯০% নেকটার খলিশা ফুলের থাকে। সুন্দরবনের অন্যান্য মধুর তুলনায় এই মধুর পরিপক্কতা হয় বেশি।
সুন্দরবনের লিকুইড গোল্ড হানি ও তার বিশেষত্ব
১। এই মধুতে থাকে ৮৫-৯০% খলিশা ফুলের নেকটার।
২। এটি সুন্দরবনের সব থেকে বেশি আকর্ষণীয় ও জনপ্রিয় মধু।
৩। সুন্দরবনের অন্যান্য মধুর তুলনায় এই মধুর পরিপক্কতা হয় বেশি।
৪। স্বাদে, গন্ধে এবং রঙের দিক থেকে এই মধু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী।
৫। সুন্দরবনের মৌসুমের প্রথম উপহার লিকুইড গোল্ড হানি।
লিকুইড গোল্ড হানি ও সুন্দরবনের প্রাকৃতিক মধু
১। লিকুইড গোল্ড হানি এপ্রিলের প্রথম দুই সপ্তাহের ভিতরেই সংগ্রহ করা হয় এবং সুন্দরবনের প্রাকৃতিক মধু এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয়।
২। লিকুইড গোল্ড হানিতে ৮৫-৯০% খলিশা ফুলের নেকটার থাকে কিন্তু সুন্দরবনের প্রাকৃতিক মধুতে খলিশা ফুলের পাশাপাশি গরান, কেওড়া ইত্যাদি ফুলের নেকটার উল্লেখযোগ্য হারে থাকে।
৩। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক মধুর তুলনায় এই মধুর পরিপক্কতা হয় বেশি।
৪। জীববৈচিত্রের অপার আধার, ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের মৌসুমের প্রথম উপহার লিকুইড গোল্ড হানি।
৫। সুন্দরবনের খলিশা গাছের ফুলের মধু সব থেকে বেশি আকর্ষণীয় ও জনপ্রিয়।